জমে উঠেছে চান্দিনা দোল্লাই নবাবপুর বাজারে কবুতরের মিনি হাট।

সকালের কণ্ঠ

আলিফ মাহমুদ কায়সার, কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লা চান্দিনায় নবাবপুরে দিন দিন জমে উঠছে কবুতরের হাট। সপ্তাহের প্রতি শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে কবুতর বিকিকিনি। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে নিয়ে আসে কবুতর। এ মিনি কবুতরের হাট দেখতে বেশ ভালোই লাগে। ছোট পরিসরে হলেও ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড় দেখা যায়। অনেকেই দূর দূরান্ত থেকে বাচ্চা কবুতর ক্রয় করতে ছুটে যান ঐতিহ্যবাহী এ হাটে। বড়-ছোট সাইজের বহু প্রজাতির কবুতর নিয়ে বসে থাকেন বিক্রেতারা। তবে পাইকারী ব্যবসায়ীর সংখ্যা খুবই কম। বেশীরভাগ গৃহস্থ নিজেই তার প্রিয় কবুতর বাজারে নিয়ে আসেন। ২০-২৫জন বিক্রেতাদের মধ্যে বেশীরভাগ যুবকদের লক্ষ্য করা গেছে। দেশীয় প্রজাতির কবুতর ছাড়াও সুয়া চন্দন, কেশওয়ারী, চিলা, সিরাজী, সুইচাল, দোবাস, গরড়া, গ্রীবাজ, রিশার, কাগজী, মুসাদ্দাম, কালদা, কালোজাগ, শিকরাজ ইত্যাদি কবুতর এ হাটে দেখা যায়। দেশীয় প্রজাতির এক জোড়া বড় কবুতরের দাম ৪শ’ থেকে ৫শ’ টাকা। বাচ্চা কবুতর প্রতিজোড়া আড়াইশ থেকে ৩শ’ টাকা। কয়েকজন বিক্রেতার সাথে কথা বলে জানাগেছে, কবুতরের ধরন অনুযায়ী দাম। ১হাজার, ১৫শ’ ২হাজার কিংবা এর চেয়ে অধিক মূল্যে অনেক কবুতর বিক্রি হয়। তারা আরো জানায়, কবুতর প্রভুভক্ত প্রাণী। আগের তুলনায় চান্দিনায় কবুতর পালন কমে আসছে। কারণ দেশীয় প্রজাতির কবুতর বেশীর ভাগ সময় মুক্ত থাকে। কবুতরগুলো খাবার সংগ্রহে বিভিন্ন ফসলী জমিতে চষে বেড়ায়। ফসলী জমিতে অধিকহারে কীটনাশক ব্যবহার করায় অনেক ক্ষেত্রে কবুতর মরে যায়। তাই এখন বাক্স কিংবা নেটের মধ্যে আটকে রেখে অনেকে কবুতর লালন পালন করে। নবাবপুর বাজারে দেখা হয় এমন এক কবুতর প্রেমি কিশোরের সাথে। নাম আমির হোসেন। সে বাড়েরা বাজার থেকে ১ জোড়া কবুতর নিয়ে বিক্রির জন্য এসেছে। বিক্রি না করেই মন খারাপ করে চলে যাচ্ছে। তাকে বললাম বিক্রি না করে নিয়ে যাচ্ছ কেন? সে জানায়, ৪শ’ টাকা দাম উঠেছে। ৫শ’ টাকার নিচে বিক্রি করবো না। তাই নিয়ে যাচ্ছি। সে আরো জানায়, খুব ছোট বেলা থেকেই তার কবুতর পালনের শখ। পড়া-শুনার পাশাপাশি সে কবুতর পালন করে।
প্রতিনিয়ত বাজারে বিভিন্ন জাতের কবুতর নিয়ে আসা বিক্রেতা ত্রিশ বছর অভিজ্ঞতা সম্পন্ন নাটিংগী গ্রামের আবদুল হাকিম ও তার ছেলে বিল্লাল হোসেন বলেন কবুতর কেনাবেঁচা করে পুরো সংসার চালাচ্ছি। কবুতরের সাথে যেন আমার সখ্য।বিভিন্ন জেলা উপজেলার বাজারে ও বিক্রি করি লাভবান হয়ে আনন্দ পাচ্ছি এতে আমার পরিবারের কোন ক্লান্তি নেই।।।।

বিজ্ঞাপন
(Visited 1 times, 1 visits today)

আরও পড়ুন

মালয়েশিয়া ও পাকিস্তানের…
সৌদি আরবে করোনায়…
চান্দিনায় করোনার সচেতনতায়…
আহত হয়েও সন্ত্রাসীকে…
যশোরে হোম কোয়ারেন্টাইন…
করোনার ভয়ে হিন্দু…
মাঝি-কুলি-দিনমজুরদের পাশে বিআইডব্লিউটিএ,…
চান্দিনা প্রশাসন কতৃর্ক…
রংপুর মেডিকেলে করোনা…

সৌদি আরবে করোনায় প্রাণ…

যশোরে হোম কোয়ারেন্টাইন শেষে…

রংপুর মেডিকেলে করোনা ইউনিটে…

সিলেটের রাস্তায় পড়ে থাকা…

কাতারে করোনায় ১ বাংলাদেশির…